সিলেটের বিশ্বনাথে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।রবিবার (৮ মার্চ) রাত ৮টা থেকে ১০টা পর্যন্ত উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের দশপাইকা ও পৌর শহরের আনরপুর গ্রামবাসীর মধ্যে প্রায় ২ ঘন্টাব্যাপী সংঘর্ষে বাকপ্রতিবন্ধি ও স্কুল ছাত্র’সহ উভয় পক্ষে আহত হয়েছেন প্রায় অর্ধশতাধিক।
খবর পেয়ে থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনেন। বিষয়টি আপোষ-মিমাংশা সমাধান করার জন্য দৌলতপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাফিজ আরব খান’সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ চেষ্ঠা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।এদিকে সংঘর্ষের পর উভয় পক্ষের আহতরা প্রথমে বিশ্বনাথ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা গ্রহন করেন এবং গুরুতর আহতদেরকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে উভয় পক্ষের লোকজন সূত্রে জানা গেছে।দৌলতপুর ইউনিয়নের দশপাইকা গ্রামের পক্ষে আহতরা হলেন- বাকপ্রতিবন্ধি মাসুক মিয়া (৫১), শাহীন খান (৪৫), নিজাম উদ্দিন (৫৩), আব্দুল আলিম (৩০), খালেদ খান (৪৩), জুবেল মিয়া (২৮), জামাল মিয়া (৩৫), চাঁদ উদ্দিন (৪৩), কামাল মিয়া (৩৭), শানুর আলী আলী (৪৯) এবং পৌর শহরের আনরপুর গ্রামের পক্ষে আহতরা হলেন- স্কুলছাত্র্র ফয়েজ আহমদ (১৩), মান্না মিয়া (৩৪), আব্দুল মালিক (৪৬), সাইদুর রহমান (৪২), আরকুম আলী (৪৩), সেলিম মিয়া (৪১), আফজল মিয়া (২৭)। এছাড়াও রাতের ইটপাটকেলে উভয় গ্রামবাসীর মধ্যে নাম না জানা আরোও প্রায় ৩০/৩৫ জন আহত হয়েছেন।বিশ্বনাথ উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের দশপাইকা গ্রামের আব্দুল হামিদ খান সুমেদ বলেন, বিষয়টি স্থানীয় চেয়ারম্যান হাফিজ আরব খান ও থানার দারোগা জহিরুল ইসলাম আপোষে দেখার প্রস্তাব দেওয়ায় আমাদের পক্ষ থেকে এখন (সোমবার বিকেল ৫টা) পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ দেয়া হয়নিঅন্যদিকে একই ব্যাপারে বিশ্বনাথ পৌরসভার আনরপুর গ্রামের জয়নাল আবেদীন বলেন, সংঘর্ষের ঘটনায় আমাদের গ্রামের বেশ কয়েকজন আহত হয়েেেছন। তবে এখন (সোমবার বিকেল ৫টা) পর্যন্ত আমাদের পক্ষ থেকে মামলা করার কোনো পদক্ষেপ নেইনি।
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ আব্দুল হালিম সাগর মোবাইল : ০১৭২২-০৬২২৭৪ প্রধান ফটো সাংবাদিক : কামাল হোসেন মিঠু অফিস :- ৪০৬ রংমহল টাওয়ার (৪র্থ তলা) বন্দরবাজার সিলেট-৩১০০। ই-মেইল : halimshagor2011@gmail.com, sylhetage2022@gmail.com
All rights reserved © 2025 sylhetage.com