Sharing is caring!

সিলেট বিভাগে জাতীয় সংসদের মোট আসন সংখ্যা ১৯টি। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই ১৯টির মধ্যে ১৮টিতেই জয় পেয়েছেন বিএনপি প্রার্থীরা। বেশ কয়েকটি আসনে ভোটের ব্যবধানও ছিল উল্লেখযোগ্য।নতুন সরকারের যাত্রা শুরুর পর মন্ত্রিসভা গঠনে সিলেট বিভাগ থেকে মাত্র দুইজনকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে—যা নিয়ে জনমনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে।মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকালে নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ গ্রহণ করেন।মন্ত্রিসভায় স্থান পাওয়া সিলেটের দুই নেতা হলেন: সিলেট–১ আসনের সংসদ সদস্য খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির — দায়িত্ব পেয়েছেন বাণিজ্য, শিল্প এবং পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয়ের।সিলেট–৪ আসনের সংসদ সদস্য ও সাবেক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী,দায়িত্ব পেয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং শ্রম মন্ত্রণালয়ের।দুইজন মন্ত্রী পাওয়ায় সিলেটবাসীর একাংশ সন্তোষ প্রকাশ করলেও অনেকের প্রত্যাশা ছিল বিভাগ থেকে আরও অন্তত ২–৩ জন মন্ত্রী অন্তর্ভুক্ত হবেন। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানা প্রতিক্রিয়া ও হতাশার কথাও উঠে এসেছে।উল্লেখ্য, সিলেট–৫ (জকিগঞ্জ–কানাইঘাট) আসনে জয় পেয়েছেন জামায়াত সমর্থিত খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মুফতি মাওলানা আবুল হাসান (দেয়ালঘড়ি প্রতীক)। বাকি ১৮টি আসনই গেছে বিএনপির ঝুলিতে।অন্যদিকে চট্টগ্রাম বিভাগে ১৬টি আসনের মধ্যে ১২টিতে জয়ী হয়েছেন বিএনপি প্রার্থীরা এবং নতুন মন্ত্রিসভায় ওই বিভাগ থেকে সর্বোচ্চ ১০ জনকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
৬ পড়েছেন