Sharing is caring!

নোয়াখালী এক্সপ্রেস প্রথমবারের মতো এবার বিপিএলে অংশ নিয়েছে । কিন্তু টানা ৪ ম্যাচ খেলেও এখনও জয়ের দেখা পায়নি তারা। চতুর্থ ম্যাচে নোয়াখালীকে নিয়ে রীতিমতো ছেলে খেলা করেছে সিলেট। সেই সঙ্গে ৬ উইকেটে বড় জয় তুলে নিয়েছে মিরাজরা।সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি সিলেটের। মাত্র ১ রান করে শুরুতেই সাজঘরে ফেরেন পারভেজ ইমন। এরপর দলের হাল ধরেন তৌফিক খান ও জাকির হাসান।সোমবার (৫ জানুয়ারি) আগে ব্যাট করতে নেমে মাত্র ৬১ রানেই গুটিয়ে যায় নোয়াখালী। জবাব দিতে নেমে ৬৮ বল এবং ৬ উইকেট হাতে থাকতেই জয় তুলে নিয়েছে সিলেট। ৫ উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন নাসুম আহমেদ।১৮ বলে ৩২ রান করে আউট হন তৌফিক খান। আর ২৩ বলে ২৪ রান করে আউট হন জাকির। তবে ৬৮ বল এবং ৬ উইকেট হাতে থাকতেই জয় তুলে নিয়েছে সিলেট।এর আগে ব্যাটিংয়ে নেমে ইনিংসের চতুর্থ ওভারেই শুরু হয় নোয়াখালীর ব্যাটিং বিপর্যয়। দলীয় ২৮ রানে ৪ বলের ব্যবধানে জোড়া উইকেট হারানোর পর ইনিংসের সপ্তম ওভারেও ২ উইকেট খুইয়ে ফেলে বেশ বিপাকে পড়ে দলটি।মাঝে তিন ওভারের বিরতিতে কিছুটা লড়াইয়ের ইঙ্গিত মিললেও নাসুমের ঘূর্ণিতে সেই প্রতিরোধও ভেঙে পড়ে। পরে ১৫ রানের মধ্যেই একের পর এক উইকেট হারিয়ে ৬ ব্যাটারই বিদায় নেন।শুরুতেই সৌম্য সরকারকে ফেরানো নাসুম ১১তম ওভারের পঞ্চম বলে হায়দার আলীকেও সাজঘরে পাঠান। শেষ ওভারে এসে আরও ভয়ংকর হয়ে ওঠেন সিলেটের এই স্পিনার। ১৩তম ওভারে টানা দুই বলে মেহেদী হাসান রানা ও জহির খানকে আউট করেন।শেষ পর্যন্ত ১৫তম ওভারে মোহাম্মদ আমির ইনিংস সেরা ২৫ রান করা মাহিদুল ইসলাম অঙ্কনকে আউট করলে মাত্র ৬১ রানেই গুটিয়ে যায় নোয়াখালী।হ্যাট্রিকের সুযোগ নষ্ট হলেও পরের বলেই বিলাল সামিকে ফিরিয়ে পূর্ণ করেন পাঁচ উইকেট। মাত্র ৮ বলেই ৫ শিকার, ৪ ওভারে ৭ রান দিয়ে অসাধারণ স্পেল নাসুমের।
৬৫ পড়েছেন